গাজার কাছে ইসরায়েলের বসানো কাঁটাতারের সীমানার ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে আশকেলনে অবস্থান নিয়েছে এই ইসরায়েলি সেনারা।
ঘটনাস্থল থেকে বিবিসি সংবাদদাতা নিক বিক জানাচ্ছেন যে সেনা অবস্থান ছাড়াও যুদ্ধবিমান আসা যাওয়া ও নজরদারি ড্রোন চলাচলের মত নানা ঘটনা ঘটছে সেখানে।
বিবিসি সংবাদদাতা জানিয়েছেন ইসরায়েলের বেশ কিছু যুদ্ধবিমান গাজার দিকে ক্রমাগত যাওয়া আসা করছে। তবে এই অঞ্চলে বিমানের উপস্থিতি বাড়ানোর কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না। যদিও শনিবার সারারাতই গাজা এলাকায় বিমান হামলা হয়েছে।
ইসরায়েল এরই মধ্যে তাদের রিজার্ভে থাকা কয়েক লাখ সৈন্যকে সেনাবাহিনীর সাথে যুক্ত করেছে। গাজার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনেক ট্যাঙ্কও অবস্থান নিয়েছে বলে বলা হচ্ছে।
শনিবার ঐ অঞ্চলে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম ও প্রস্তুতি দেখতে যান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মি. নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন যে ‘সংঘাতের পরের পর্ব আসছে।’
এর আগে গত সপ্তাহে হামাসের আকস্মিক হামলার পর তিনি এক ভিডিও বার্তায় হুমকি দিয়েছিলেন যে ইসরায়েলি বাহিনী ‘পৃথিবী থেকে হামাসকে নিশ্চিহ্ন’ করে ফেলবে।
ইসরায়েলি বাহিনী গত দুদিন ধরে গাজায় সর্বাত্মক হামলার হুমকি দিতে থাকলেও কখন এই হামলা শুরু হবে তা এখনো চূড়ান্তভাবে জানায়নি।
উত্তর গাজায় হামাস ঘাঁটিতে হামলা করার আগে সেখান থেকে বেসামরিক বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য কয়েক দফায় সময়ও বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
.jpeg)